করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ঘরে থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। রূপকল্প ২০৪১: টিউরোরিয়াল
Latest Activities
Showing posts with label টিউরোরিয়াল. Show all posts
Showing posts with label টিউরোরিয়াল. Show all posts

কীভাবে একটি পূর্ণ ভাষা হতে পারে গণিত ?

Detail
গণিতকে বলা হয় বিজ্ঞানের ভাষা। আমরা ভাষা বলতে যা বুঝি, গণিত কি তেমনই বাংলা, ইংরেজি কিংবা ম্যান্দারিনের মতো কোনো ভাষা? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের দেখতে হবে গণিতের শব্দ ও ব্যাকরণ কীভাবে এক একটি বাক্য রচনা করে।

ভাষা কী?
ভাষার বহুরকম সংজ্ঞায়ন হতে পারে। ভাষা হতে পারে কিছু শব্দ বা সংকেত, যেগুলো কিছু নিয়মের অধীনে থাকে। আবার বলা যেতে পারে, শব্দ কিংবা প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। বিশ্ববিখ্যাত ভাষাবিদ নোয়াম চমস্কি ভাষাকে সংজ্ঞায়ন করেন সসীম সংখ্যক উপাদান দিয়ে গঠিত বাক্যসমগ্র বলে।

যেভাবেই সংজ্ঞায়ন করা হোক, আমরা সার্বিক বিবেচনায় কিছু উপাদানকে ভাষার বৈশিষ্ট্যের সূচক বলে ধরতে পারি।


  • অবশ্যই শব্দ বা প্রতীক সমূহের একটি অভিধান বা তালিকা থাকবে।
  • সেসব শব্দ বা প্রতীকের অবশ্যই অর্থ থাকতে হবে।
  • ভাষায় ব্যাকরণের প্রয়োগ থাকবে। অর্থাৎ কিছু নির্ধারিত নিয়ম থাকবে যা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলো ব্যবহারের সীমারেখা বলে দিবে।
  • প্রতীকগুলো দিয়ে বাক্য গঠনের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ বা উপস্থাপন করা যাবে। বাক্য গঠনের মাধ্যমে ভাব উপস্থাপন করে তার ধারাবাহিক বর্ণনা সম্ভব হতে হবে।
  • আর অবশ্যই একদল মানুষ থাকতে হবে যারা সে ভাষা বুঝবে এবং ব্যবহার করবে।
ভাষা চর্চিত হবে একদল মানুষের মাঝে, আর ভাষাটি তাদের পারস্পরিক বোধ্যগম্যও হতে হবে

এই শর্তগুলো হাতে নিয়ে গণিতের দিকে তাকালে দেখা যায়, গণিত সবগুলো শর্তই পূরণ করে বসে আছে। বিশ্বব্যাপী গণিতের প্রতীক, তার অর্থ, ব্যবহার আর ব্যাকরণ একই। 
গণিতবিদ, বিজ্ঞানী এবং অন্যান্যরা ধারণার আদান-প্রদানে গণিতকে ব্যবহার করেন। 
গণিত যেমন একদিকে বাস্তব ঘটনাকে বর্ণনা করতে পারে, তেমনই বিমূর্ত ধারণাকেও বর্ণনা করতে পারে। এমনকি গণিতের এমন একটি শাখা আছে, যেখানে নিজেই নিজেকে বর্ণনা করতে পারে। 
ঐ শাখাটি হলো মেটা-ম্যাথমেটিকস।

অভিধান, ব্যাকরণ ও পদবিন্যাস
গণিতের অভিধান সাজানো হয়েছে বিভিন্ন বর্ণমালা থেকে। পাশাপাশি এতে আছে বিভিন্ন চিহ্ন, যেমন যোগ কিংবা বিয়োগ। একটি গাণিতিক সমীকরণকে বলা যায় শব্দের সমাহারে তৈরি বাক্য। 
একটি সরল গাণিতিক সমীকরণ বিবেচনা করি।

3 + 5 = 8
একে পড়া যায়- তিন এর সাথে পাঁচ যোগ করলে আট এর সমান হয়। নিঃসন্দেহে এটি একটি পরিপূর্ণ বাক্য।
গণিতের ভাষায় বিশেষ্য পদ হলো এগুলো
সংখ্যা অংক (0, 2, 5, 9, 17 ইত্যাদি)
ভগ্নাংশ (1⁄4, 5⁄9, 2 1⁄3)
চলক (a, b, c, x, y, z ইত্যাদি)
রাশি (3x, x^2, 4+x ইত্যাদি)
রেখাচিত্র বা দৃশ্যমান উপাদান (বৃত্ত, কোণ, ত্রিভুজ, টেন্সর, ম্যাট্রিক্স ইত্যাদি)
অসীম সংখ্যা (∞)
পাই (π)
কাল্পনিক সংখ্যা (i, -i)
আলোর বেগ (C)
গণিতে ব্যবহৃত প্রতীক দিয়ে তৈরি করা যেতে পারে বাক্য
গণিতের ক্রিয়াপদগুলো
সমান অসমতা চিহ্ন (=, <, >)
গাণিতিক ক্রিয়া, যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, বর্গমূল করা। (+, ­, ×, ÷)
অন্যান্য ক্রিয়া (sin, cos, tan, sec ইত্যাদি)
গণিতের ব্যাকরণ এবং বাক্যগঠন অভিধানের মতোই আন্তর্জাতিক। কেউ যে দেশেরই লোক হোক, যে ভাষাতেই কথা বলুক, গাণিতিক ভাষার গঠন সকল দেশে একই। গাণিতিক সার্বজনীনতা সকলের জন্য সমান।
  • গাণিতিক সূত্র বা বিধিগুলো লেখা হয় বাম থেকে ডান দিকে।
  • পরিমাপ এবং চলকের জন্য ল্যাটিন বর্ণমালা ব্যবহার করা হয়। কিছু গ্রিক বর্ণও ব্যবহার করা হয়। পূর্ণসংখ্যাগুলো বোঝাতে নেয়া হয়েছে i, j, k, l, m, n বাস্তব সংখ্যাকে প্রকাশ করা হয় a, b, c, α, β, γ দিয়ে। জটিল সংখ্যাকে নির্দেশ করতে ব্যবহার করা হয় w এবং z প্রতীক। অজানা চলকের জন্য x, y, z এবং ফাংশনের নামের জন্য f, g, h
  • বিবিধ বিশেষ সংজ্ঞার জন্য গ্রিক বর্ণমালা ব্যবহৃত হয়। যেমন, λ দিয়ে তরঙ্গদৈর্ঘ্য আর ρ দিয়ে বোঝায় ঘনত্ব।
  • বন্ধনী চিহ্নগুলো নির্দেশ করে প্রতীকগুলো কোন ক্রম অনুসরণ করবে।

গণিতের রাশিমালা সবসময় লিখতে হয় বাম দিক থেকে
ভাষা একটি শিক্ষা উপকরণ
কীভাবে গাণিতিক বাক্যগুলো কাজ করে তা জানলে গণিত শেখা শেখানো উভয় পক্ষের জন্যই কার্যকরী ভূমিকা রাখে। সংখ্যা এবং প্রতীক প্রায়ই শিক্ষার্থীদের আতঙ্কগ্রস্ত করে তোলে। তাই কোনো পরিচিত ভাষায় সমীকরণকে বর্ণনা করলে তা সহজে শিক্ষার্থীর কাছে গ্রহণীয় হয়। মূলত, এটা অনেকটা কোনো বিদেশী ভাষাকে নিজের ভাষায় রূপান্তরের মতো।

যেহেতু পৃথিবীব্যাপী গণিত একই, তাই স্বভাবতই গণিত একটি বিশ্বজনীন ভাষা। গণিতের কোনো সংজ্ঞা কিংবা সূত্রের অর্থ বিভিন্ন ভাষায় একই। দুজন মানুষের মধ্যে কথ্য ভাষায় ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু গণিত সেই যোগাযোগ বাধা উৎরে গিয়েও কাজ করতে পারে।

গণিত শুধু সংখ্যা আর সমীকরণ নয়
গণিত বলতে শুরুতেই মোটাদাগে সংখ্যা আর সংখ্যাদের দিয়ে কিছু ক্রিয়া (যেমন, যোগ, বিয়োগ, ভাগ, বর্গমূল ইত্যাদি) বোঝায় না। বিমূর্ততা, ভাবমূলক বর্ণনা, বস্তুনিরপেক্ষ সংজ্ঞায়ন গণিতের চিরন্তন বৈশিষ্ট্য। জ্যামিতির কথাই বিবেচনা করি। একটি বস্তু কেমন হতে পারে তা গণিতের আওতাধীন। এমনকি কোনো বস্তু কেমন হওয়া অসম্ভব তা- গণিত শাস্ত্রের আওতাধীন।
সার্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দেখা যাবে, মানুষের দ্বারা যত ভাষা সৃষ্টি হয়েছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে আদিম কিন্তু এই গণিতই। যুক্তি যাচাইয়ের ভিত্তি হিসেবে সবসময় কাজ করেছে এই গণিত। ধর্ম, সংস্কৃতি, লিঙ্গ, কাল ইত্যাদি কোনোকিছুই ধারণার পরিবর্তন করতে পারেনি।

গণিতকে ভাষা না বলার যুক্তি
গণিতকে ভাষা বলার যুক্তি যেমন আছে, তেমনই একে নিয়ে আছে বিপরীত মত কিংবা ভিন্ন মত। অনেক ভাষাবিদ একে ভাষা হিসেবে স্বীকার করতে নারাজ। কারণভাষা কোনো কোনো সংজ্ঞায় যোগাযোগকে কথ্যরূপ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। গণিত মূলত যোগাযোগের একটি লিখিত মাধ্যম; যেখানে খুব সরল একটি সমীকরণ সহজেই পড়ে ফেলা সম্ভব (যেমন- 1 + 1 = 2), কিন্তু জটিল কোনো সমীকরণ যেমন, ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ পড়তে গেলে বক্তার মাতৃভাষার সহায়তা নিতেই হবে- যে কারণে গণিত তাদের মতে ভাষা হিসেবে বিশ্বজনীনতা হারায়।

একই যুক্তিতে ইশারা বা সাংকেতিক ভাষার (Sign language) স্বীকৃতিও কেড়ে নেয়া যায়। কিন্তু অধিকাংশ ভাষাতাত্ত্বিকেরা সাংকেতিক ভাষাকে সত্যিকার ভাষা হিসেবে স্বীকার করেন।
ভাষা মাত্রই ভাবের আদান প্রদান জরুরী
গণিত দিয়ে আমরা বিশাল মহাবিশ্বের বিবিধ রহস্য থেকে শুরু করে কোষের ক্ষুদ্র জটিল জগত এমনকি ডিএনএ পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পারি। শুধু তা- নয়, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরমাণুকেও ব্যাখ্যা করতে পারি। গ্রহদের গতি, জটিল রোগের প্রতিকার এমনকি ঘরের দরজা থেকে বেরিয়ে কর্মস্থল বা শিক্ষাঙ্গন, পার্ক যেখানেই যাই না কেন গণিতের অস্তিত্বকে ঝেড়ে ফেলার কোনো উপায় নেই। কম্পিউটার আর তথ্য বিনিময়ের অতিকায় বিপ্লবের বিস্তারিত কথা না- বললাম।

দৈনন্দিন জীবনে গণিত আষ্টেপৃষ্ঠে এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে আমরা তার খানিকটাও দেখতে পাই না। অনেকটা বাতাসের সমুদ্রে থেকে বাতাসকে না দেখার মতো। আমাদের সহজাত প্রবৃত্তির কারণে আমরা হয়তো অভ্যাসের ভেতর থেকে ছেঁকে এনে ততটা খেয়াল করি না গণিতকে, কিন্তু যদি বলা হয় শুধুমাত্র সংখ্যা ছাড়া একটা দিন চলতে, তাহলে কি কেউ পারবে?

আধুনিক পৃথিবীর কোনো কল্পনায় আপনাকে নাহয় না ভাসালাম। আদিম সমাজের গুহাবাসী কোনো পরিবারের কর্তাকে যদি কেউ বলতো, তোমার কয় ছেলেমেয়ে গো?

কর্তাকে ছেলেমেয়েদের বের করে এনে দেখাতে হতো এই যে এরা! সংখ্যা না থাকলে এছাড়া আর কী উপায় আছে বলার? কর্তা যদি প্রতিকী দাগ দিয়ে, পাথর কিংবা কাঠি দিয়েও ছেলেমেয়ের সংখ্যা বোঝাতে যায় তাহলেও কিন্তু বিপদ! গণিত ঢুকে যাবে এতে!

আমাদের সকল ক্ষেত্রে আষ্টেপৃষ্ঠে এমনভাবে বিজড়িত একটি বিষয়কে ভাষা না বললেও, এর গুরুত্ব ভাষার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

সূত্র: roarmedia

আসুন জেনে নেই কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে করনীয় কি?

Detail
অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের প্রথম ও প্রধান সমস্যা হলো তার কম্পিউটারটি স্লো কাজ করছে, এমন অবস্থায় করনীয় নিয়ে অনেক দ্বিধা থাকলে ও নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করলে এমন সমস্যা হতে অতি সহজেই পরিত্রান পাওয়া সম্ভব।

নতুন কম্পিউটার কিনেছেন। কেনার প্রথমদিকে নতুন শ্বশুর বাড়ির মতোই কম্পিউটার আপনাকে খাতির যত্ন করবে। তারপর একসময় ধীরে ধীরে কম্পিউটারের গতি কমতে থাকে। দেখা গেলো, একটি ফোল্ডার ওপেন করার পর খুলতে এতোই সময় লাগে যে এই সময়ে আপনার একটা ভালো ঘুম হয়ে যায়। তবে কম্পিউটারের গতি বাড়ানো যায় বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে। চলুন জেনে নেই তেমন কিছু বিষয়-
১) কম্পিউটারে কখনো থিম, অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, ইন্সটল করা উচিত নয়।থিম কম্পিউটারকে অনেক ধীর করে দেয়।
২) রিসাইকেল বিন সব সময় ফাঁকা রাখুন।  রিসাইকেল বিনে কোনও ফাইল রাখবেন না।
৩) Start থেকে Run-এ ক্লিক করে এক এক করে Prefetch, temp, %temp%, cookies, recent লিখে ok করুন। ফোল্ডারগুলো খুললে সবগুলো ডিলিট করে ফেলুন। কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়বে।

৪) My Computer খুলে সি ড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। তারপর Disk Cleanup-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। নতুন উইন্ডো এলে বাঁ পাশের সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। এভাবে প্রত্যেকটি ড্রাইভ ক্লিন করতে পারেন।
৫) ভাইরাসের কারণে পিসি স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য নিয়মিত ভাইরাস স্ক্যান করুন। অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার করতে পারেন। তবে ভুলেও এক পিসিতে একাধিক অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার করবেন না।
৬) অতিরিক্ত ধুলা-বালির জন্য কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য মাসে অন্তত একবার হলেও সিপিইউ খুলে এর ধুলাবালি পরিষ্কার করা উচিত।
৭) সি ড্রাইভের অপ্রয়োজনীয় ডাটা অন্য ড্রাইভে রাখুন।
৮) অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পিসি থেকে আনইন্সটল করে ফেলতে পারেন। এর কারণেও অনেক সময় পিসি স্লো হতে পারে।
৯) আপনার কম্পিউটার এর ভার্চুয়াল মেমরি বাড়িয়ে রাখুন।
১০) ১ মাস পরপর আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজিং হিস্টরি এবং কুকিস মুছে ফেলুন। তাতে আপনার ব্রাউজারের গতি বাড়বে।  একসাথে ব্রাউজারে বেশি ট্যাব খুলে রাখবেন না। যে ট্যাবটি দরকার শুধু সেটিই খুলুন। কাজ শেষ হলে পুরনোটা কেটে আবার নতুন একটি খুলুন। আর ব্রাউজারে অ্যাডস অন ব্যবহার করবেন না।
১১) মাস খানেক পর কম্পিউটার এর র‌্যাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগান, তাতে মাঝে মাঝে রিস্টার্ট হওয়া কিংবা ডিসপ্লে না আসার সমস্যা কমবে।
১২) অটোমেটিক আপডেট এবং ফায়ারওয়াল অফ করে রাখুন।
১৩) যেসব প্রোগ্রাম কিংবা সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন না, এগুলো একেবারে ক্লোজ করে রাখুন। কারণ ক্লোজ না করলে এই প্রোগ্রাম কিংবা সফটওয়্যারগুলো আপনার পিসির র‌্যামের জায়গা দখল করে আপনার পিসিকে স্লো করে রাখবে।
১৪) আপনার কম্পিউটার নিয়মিত বন্ধ করুন। অনেকেই আছে সবসময়ই খুলে রাখেন নিজেদের পিসি অথবা ল্যাপটপ যা করা একদমই উচিত নয়।
১৫) বড় সাইজের ফাইল কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলুন।
১৬) কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে ভালো কনফিগারেশনের কম্পিউটার কেনা।

সূত্রঃ আরটিভিঅনলাইন

ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে- স্বল্প মেয়াদী আইসিটি প্রশিক্ষণ গ্রহন করুন।

Detail
সম্প্রতি বাংলাদেশ ডিজিটাল সু-সরকার বদলগাছী উপজেলার প্রায় ৮১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্লাস গ্রহন এবং স্কুল পরিচালনার লক্ষ্যে ল্যাপটপ প্রদান করেছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, অধিকাংশ শিক্ষকগনই সে ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট এর সঠিক ব্যবহার ও পরিচালনার জন্য তেমন কোন প্রশিক্ষন  পাননি। যার করণে সরকাররে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ব্যহত হচ্ছে। তাই সম্মানিত শিক্ষকগনকে  অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, 
 ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে-
বদলগাছী উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাব - এর উদ্দ্যোগে

 ডিজিটাল ক্লাস কন্টেন্ট দ্বারা ক্লাস গ্রহণ সহজ এবং সাবলীল করতে ক্লাব - সময়  উপযোগী প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। আপনাদের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত ও অংশগ্রহন প্রত্যাশা করছি। যার মাধ্যমে শুধু শিক্ষকগনই নন সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও ডিজিটাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে আত্ম প্রকাশ করতে সক্ষম হবে।
 আর এতে করে ভিশন ২০২১ বাস্তাবয়নে  বদলগাছী উপজেলা সরাসরি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
আমাদের সেবা সমূহঃ
১। স্বল্প মেয়াদী এবং কার্যকরী ল্যাপটপ, ডেস্কটপ এবং অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং প্রশিক্ষণ প্রদান।
২। বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়ার, সফটওয়ার, অনলাইন, অফলাইন সমস্যা সমাধান এবং অনলাইন নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ প্রদান।
৩। নেটওয়ার্কিং, ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সহ প্রয়োজনীয় সকল অফিস প্রোগ্রাম প্রশিক্ষণ।
৪। প্রাক প্রাথমিক বিজয় ডিজিটাল কন্টেন্ট , লাইসেন্স সংস্করণ।
৫। প্রথম হতে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত সকল ডিজিটাল কন্টেন্ট সরবরাহ ও তার ব্যবহার।
৬। গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং এবং প্রয়োজনীয় হার্ডকপি, সফট কপি প্রদান।
৭। নিজের এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইমেইল, ব্লগ, ওয়েবসাইট এবং ফোরাম পরিচালনা করা।
৮। দূরবর্তী শিক্ষকদের জন্য ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান সুবিধা প্রদান করা হবে।

উপরে উল্ল্যেখিত সেবা গ্রহনে শিক্ষক সমাজ হয়ে উঠবে ডিজিটাল এবং দক্ষ। যারা দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে আরো অগ্রগামী ।

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ
বদলগাছী উপজেলা আই.সি.টি প্রশিক্ষন কেন্দ্র
পশু হাসপাতার সংলগ্ন,
বদলগাছী, নওগাঁ।
০১৭৯৫-৬৩৫৮৭২ (তাইয়েব), ০১৭১৭-২২৯৬১৭ (শামীম)
                       ফেসবুক পেজঃ https://web.facebook.com/bubpc

বেকার যুবমহিলাদের ব্লক ও বাটিক প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ

Detail
গণপ্রজাতন্ত্রী_বাংলাদেশ_সরকার_ও_জাইকার_অর্থায়নে_বেকার_যুবমহিলাদের_ব্লক_ও_বাটিক_প্রিন্টিং_প্রশিক্ষণ:-- *** আজ থেকে জেলা পরিষদ ডাক বাংলো মিলনায়তন, বদলগাছীতে GOB ও JICAর অর্থায়নে বেকার যুব মহিলাদের ব্লক ও বাটিক প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন হল । ইউএনও জনাব মোঃ হুসাইন শওকত স্যারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস শাম্মী আখতার, জাইকার উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর জনাব হাসিবুল ইসলাম, প্রশিক্ষক মিসেস সামসী আরা, মিসেস বিলকিস পিয়ারা বানু ও মিসেস মাকসুদা বেগম ।

সহজেই সেটআপ করুন ফটোসপে প্লাগ্নিস (Plug-Ins)

Detail
সমস্ত প্রশংসা সেই রাব্বুল আলামিন এর দরবারে যিনি বিশ্ব জাহানের মালিক।  প্রতিনিয়ত কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ছে।এর সাথে তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়ার। তবে গ্রাফিক্সের জন্য ফটোসপের বিকল্প আর নেই। বর্তমানে এমনও ব্যক্তি আছেন যারা শুধু মাত্র ফটোশপ ছাড়া আর কিছুই জানেন না। তারা সর্বদা ফটোশপ নিয়ে থাকেন এবং
খুব ভালো কাজ জানে। তবে ফটোসপে কাজ করতে গেলে কিছু প্লাগ্নিস লাগে। যা কিনা আপনার কাজকে অনেক সহজ করে দিবে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারেন যে, প্লাগ্নিসটা কি?
প্লাগ্নিসটা: আসলে প্লাগ্নিসটা হচ্ছে আপনার ফটোশপের জন্য তৈরী করা কিছু ইফেক্ট। যা কিনা আপনার কাজকে আরো সহজ করে দিবে। অর্থা আপনার জন্য কিছু ইফেক্ট তৈরী করা আছে। যারা ফটোসপের কাজ জানেন বা নতুন শিখছেন তারা অন্তত এতটুকু বুঝতে পারেন যে, ছবিতে কোন সমস্যা হলে আপনারা ফটোসপের সাহায্যে তা ঠিক করেণ। ঠিক এই রকম কিছু কাজ আছে যা করতে অনেক সময় লাগে। ঠিক এই জাতীয় কাজ নির্দিষ্ট করে তৈরী করা আছে। আপনি শুধূ ক্লিক করবেন আর আপনার কাজ হয়ে যাবে।
কিন্তু এই প্লাগ্নিসটা অনেকেই ঠিক মত সেটআপ করতে পারেন না। এটা সেটআপ করার কিছু নিয়ম আছে। তাই আজকে আমি আপনাদের শিখাবো কিভাবে সেটআপ করতে হয় এবং এটির ব্যবহার। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। প্রথমে এই লিংক থেকে প্লাগ্নিস গুলো ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড হলে আনজীপ করুন। তাহলে নিচের মত ছবিটি হবে।

এবার সবগুলো করি করুন।
তারপরে আপনি যেখানে ফটোসফ সেটআপ করেছেন সেই জায়গায় যান। অর্থাত সেটআপ ডাইরেক্টরী। সাধারনত এটি সি(C:\Program Files) ড্রাইভে প্রোগ্রামসে থাকে। ধরে নিলাম আপনি সি ড্রাইভে ফটোসফ সেটআপ করেছেন। তাই আপনাকে সরাসরি সেই ড্রাইভে যেতে হবে(C:\Program Files\Adobe\Adobe Photoshop CS3)। এই জন্য  প্রথমে মাই কম্পিউটারে গিয়ে সি(C) ড্রাইভ ওপেন করুন।
তারপরে প্রোগ্রাম ফাইলস (Program Files) ওপেন করুন
তারপরে এডোব (Adobe) ফোল্ডারটি ওপেন করুন।
এবার আপনি যদি ফটোশপ (সিএস, সিএস২, সিএস৩) অথবা যে ভার্সন আপনি সেটআপ করেছেন ঠিক সেই ফোল্ডারটি ওপেন করুন। আপনি ফটোশফ সিএস৩ ব্যবহার করি।
তাহলে নিচের মত ছবিটি দেখতে পাবেন। এবার এইখানে লক্ষ করুন যে Plug-Ins নামক একটি ফোল্ডার আছে। এই ফোল্ডারটি ওপেন করুন।
 এবার আপনার কপি করা প্লাগ্নিস গুলো এই  ফোল্ডারের ভিতরে পেষ্ট করুন। 
তারপরে ফোল্ডারটি বন্ধ করে আপনি আপনার ফটোসফ চালু করুন। চালু হবার পরে একটি ছবি ওপেন করুন। 
 এবার মেনুবার থেকে ফিল্টার তারপরে একদম নিচে গ্রেইন সার্জারি তে ক্লিক করে রিমুভ গ্রেইন। 
তারপরে ছবিটিতে লক্ষ করুন। একটি স্মুত ভাব তৈরী হয়েছে।
তবে সাবধান ভাবে করতে হবে কোন কোন ছবিতে এই ইফেক্ট এরমান কমিয়ে দিতে হবে। নিচের ছবিতে লক্ষ করুন লাল বর্ডার দেয়া।
১০০ এর নিচের হলে কমবে আর ১০০ উপরে বাড়বে। তবে ১০০ উপরে দেয়া ঠিক হবে না। আপনার আপনাদের নতুন নতুন ছবি নিয়ে চেষ্টা করুন বার বার ব্যবহার করুন তখন বুঝে যাবেন কিভাবে ব্যবহার করতে হবে।

টিউরোরিয়াল

 
Support : | RSTSBD | RSTSBD
Copyright © 2017. রূপকল্প ২০৪১ - All Rights Reserved
This Blog Published by RSTSBD
Created by Uno Badalgachi