ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানে এগিয়ে আসুন রূপকল্প ২০২১
Latest Activities

আজ প্রথম দিন শোকের মাস আগস্ট ২০১৯

Detail

শোকের মাস আগস্টের প্রথম দিন আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে নরপিশাচরূপী ঘাতকচক্র। এরপর থেকে এ দিনটি মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধুর শোকের দিন হিসেবে পরিচিত।

তাই আগস্ট মাসকে পুরো জাতি পালন করে শোকের মাস হিসেবে। ১ আগস্টের প্রথম প্রহর থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই  বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা, শোক ও ভালোবাসায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে।

বঙ্গবন্ধু ত্যাগ, সংগ্রাম, বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্ব, অদম্য স্পৃহা, দৃঢ় প্রত্যয়, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও আদর্শ দিয়ে সমগ্র বাঙালি জাতিকে উজ্জীবিত করে স্বাধীনতা অর্জনের চূড়ান্ত আত্মত্যাগে দীক্ষিত করে তুলেছিলেন।

তার নেতৃত্বে ১৯৪৮-এর ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের জন্ম, ’৪৮-এর মার্চে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার প্রতিবাদে আন্দোলন, ’৪৯-এর ২৩ জুন আওয়ামী লীগের জন্ম, ’৫২-এর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ৬-দফা, ’৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও ১১-দফা, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচনে ‘আওয়ামী লীগ’-এর নিরঙ্কুশ বিজয়সহ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের আকাঙ্ক্ষা চূড়ান্ত লক্ষ্যে এগিয়ে যায়।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিশপথে ঐক্যবদ্ধ হয় বাঙালি জাতি। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করলে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ।

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী নেতৃত্বে পাকিস্তানি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৪ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের স্ফুলিঙ্গে উজ্জীবিত ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠেন বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক।

বাংলার ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা- বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান। তিনিই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি।বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। কিন্তু ঘাতকরা তার সে স্বপ্ন পূরণ হতে দেয়নি। তারই নেতৃত্বে স্বাধীন হওয়া দেশেই ঘাতকরা এই আগস্টে তাকে সপরিবারে হত্যা করে।১৫ আগস্ট ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম এ হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী
বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, জাতির জনকের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, দ্বিতীয় পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল, নবপরিণীতা পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণি, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক ও জাতির জনকের ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছোট মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত, আবদুল নঈম খান রিন্টু, বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা অফিসার কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ ও কর্তব্যরত অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিহত হন।

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট শুধু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি আইন জারি করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্কের বোঝা বহন করে।

১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে এ বিচারের উদ্যোগ নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে ঘাতকদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেন শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তাও বাস্তবায়নের পথে হাঁটতে থাকেন তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি উন্নয়নশীল, মর্যাদাসম্পন্ন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।
সূত্র: যুগান্তর

সচেতন থাকুন নিরাপদ থাকুন

Detail

১। কিছুদিন অপরিচিত এলাকায় যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। 
২। অপরিচিত এলাকায় গেলে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে এদিক-সেদিক উদভ্রান্তের মতো তাকানো থেকে বিরত থাকুন।
৩। কাউকে খুঁজতে গেলে তার সাথে পূর্বেই যোগাযোগ করে নিন, সারপ্রাইজ দিতে কিংবা কোন কারণেই না জানিয়ে যাবেন না।
৪। নিজের বাচ্চাকে তার মাকে ছাড়া কোথাও নিয়ে যাবেন না। বিশেষ করে যেসব বাচ্চারা ছিচ কাদুনে এবং খালি বায়না ধরে তাদের নিয়ে কয়েকটা দিনের জন্য একা একা দূরত্বে বের হবেন না।
৫। যদি চাকুরীজীবী হন, তবে প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড সাথে রাখুন, প্রয়োজনে অপরিচিত এলাকায় গেলে গলায় ঝুলিয়ে রাখুন।
৬। কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে থতমত খাবেন না, কনফিডেন্ট/সহজভাবে উত্তর দিন। ভাব নিতে যাবেন না।
৭। পথে-ঘাটে কারো সাথে উটকো ঝামেলায় জড়াবেন না।
৮। এ ধরণের ঘটনা দেখলে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে পুলিশকে জানান।
৯। গণপিটুনি দেখলে তৎক্ষনাৎ ৯৯৯ এ ফোন দিন।
১০। যদি আপনি কোনও এলাকায় নতুন হোন (আপনাকে যদি কেউ না চিনে থাকে), তাহলে কর্মক্ষেত্র থেকে সরাসরি বাসায় চলে আসুন।
১১। সর্বোপরি, এ অবস্থার দ্রুতই অবসান হবে আশা করি। তাই আতঙ্কিত হবেন না।
১২। সচেতনতা তৈরিতে সহয়তা করুন।


সংকলিত

হিংসা নয় বরং একে অপরকে সহযোগিতার মাধ্যেমেই লক্ষে পৌছানো সহজ ।

Detail

একদিন সংখ্যা ৯, ৮- কে জোরে এক থাপ্পড় মারল।
তখন কাঁদতে কাঁদতে ৮ জিজ্ঞাসা করলো, আমাকে মারলে কেন ?
৯ বলল, আমি বড় তাই আমার অধিকার আছে মারার।
এ কথা শুনে ৮, ৭- কে জোরে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিল।
৭ যখন ওকে মারার কারণ জানতে চাইলে ৮ ও বলল, আমি বড় তাই মেরেছি!
একই অজুহাত দেখিয়ে, এরপর ৭, ৬-কে;
৬, ৫-কে;
৫, ৪-কে;
৪, ৩-কে;
৩, ২-কে; আর ২, ১-কে মারল!
হিসাব মত ১-এর শূন্য(০)কে মারা উচিত...
কিন্তু "১" মারা তো দূরের কথা,শূন্যকে কছে নিয়ে বললো, তুই আমার ছোটভাই সবসময়ে আমার পিছে থাকবি, কারণ তোকে যেন কেহই আঘাত করতে না পারে। তখন থেকে ১ আর শূণ্য(০) মিলে ১০(দশ) হয়ে
গেলো। তখন থেকে সব সংখ্যাই সন্মান করা শুরু করলো।
লক্ষনীয়:
ছোট ছোট কারনে, নিজেদের মধ্যে ঝগড়া, লড়াই না করে, ব্যক্তিগত হিংসা বা অহঙ্কার দূরে সরিয়ে, আমরা যদি একে অন্যের হাতটা ধরতে পারি, আমাদের শক্তি বহু গুণ বেড়ে যায়।
সংকলিত

বিল গেটস ৩ বিষয়ে পড়ার পরামর্শ দিলেন

Detail


ফের কলেজে ভর্তি হতে পারলে পড়াশোনার বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিতেন  আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,
 এনার্জি বা বিদ্যুৎ ও বায়োসায়েন্স। গেলো সোমবার এক টুইটে এমনটা বললেন এ ধনকুবের বিল গেটস। 
সম্প্রতি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস তরুণদের দারুণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তাতে আছে   ভবিষ্যতে  তারা কী করবেন,
 কোন পেশায় যাবেন বা কোন বিষয়ে পড়াশোনা করবেন তা নিয়ে নানান পরামর্শ।

আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এনার্জি বা বিদ্যুৎ ও বায়োসায়েন্স ।
 বর্তমানে এ তিন বিষয়কে সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল হিসেবে উল্লেখ করে বিল গেটস বলেন,
এ বিষয়গুলোর কোনো একটিতে পড়াশোনা করে বিশাল প্রভাব রাখা যায়।
প্রযুক্তি ও অর্থনীতি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আসছে দু’দশকের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এতটাই পরিবর্তন আসবে
 যে অনেক প্রতিষ্ঠান কাজের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেবে। কারখানা, নির্মাণ প্রতিষ্ঠান,
এমনকি খুচরা বিক্রির দোকানগুলোতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত হবে। এ ছাড়া শক্তির উৎস হিসেবে নবায়নযোগ্য শক্তি,
 যেমন: সৌর ও বায়ুশক্তির ব্যবহার বাড়বে। আসছে ১৫ বছরের মধ্যেই বৈদ্যুতিক খাতে
অবিশ্বাস্য পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করেন বিশ্বের সবচেয়ে সম্পদশালী ব্যক্তি বিল গেটস।
 তিনি বলেন , বায়োটেকনোলজি বা জীবপ্রযুক্তির প্রবৃদ্ধি দ্রুত ঘটছে। অনেক ব্যক্তিমালিকানাধীন
প্রতিষ্ঠান উন্নত ওষুধ তৈরি থেকে শুরু করে চিকিৎসা খাত উন্নত করতে কাজ করছে।
 তাই এই তিন ক্ষেত্রের যেকোনো একটি এখন বেছে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
 ১৮ বছর বয়সের তরুণদের জন্য গেটসের পরামর্শ, ‘তোমাদের বয়সে আমি অনেক কিছু করেছি।
 তোমরাও দ্রুত যেকোনো জায়গা থেকে অসমতার বিরুদ্ধে কাজ শুরু করে দিতে পারো।’

সূত্র: educarnival

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এ পড়তে চায় যারা

Detail
এইচ.এস.সি পরীক্ষা শেষ করেই অনেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। স্বপ্নের ক্যাম্পাসে পা রাখতে হলে কীভাবে এগোবেন? পরামর্শ দিয়েছেন বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম—আসিফ ইকবাল

১. পড়তে হবে মনোযোগ দিয়ে
যতটুকু পড়বে, মনোযোগসহকারে পড়বে। সারা দিন পড়তে হবে এমন কোনো কথা নেই। কবে কোন বিষয়টা পড়বে, শুরুতেই সেটার একটা রুটিন করে নেওয়া ভালো।
২. প্রশ্নপদ্ধতি এবং মানবণ্টন সম্বন্ধে ধারণা
সিলেবাস এক হলেও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরনে বেশ পার্থক্য আছে। প্রশ্নপদ্ধতি, মানবণ্টন, সময় ইত্যাদি সম্বন্ধে একটা স্বচ্ছ ধারণা রেখে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
৩. চোখ রাখো বিগত বছরের প্রশ্নে
বিগত বছরের বুয়েট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো অবশ্যই শুরু থেকে সমাধান করা উচিত। পুরোনো প্রশ্নগুলো দেখলে যেমন প্রশ্ন সম্পর্কে একটা ধারণা হবে, তেমনি প্রস্তুতির ফাঁকফোকরগুলোও ধরা পড়বে।

৪. পদার্থবিজ্ঞানে বেশ কিছু বই দরকার
পদার্থবিজ্ঞানের অঙ্কগুলো যেকোনো একটা বই থেকে না করে কয়েকটা বইয়ের সব অঙ্ক করতে পারলে ভালো। সূত্রের প্রমাণগুলো খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে।

৫. গণিতে চাই চর্চা
গণিতের ক্ষেত্রে একের অধিক বই অনুসরণ না করে যেকোনো একটা বই অনুসরণ করে সব অঙ্ক করে ফেলো। যে অঙ্কগুলো তুমি পারো, সেগুলোও বারবার চর্চা করতে হবে। গণিতে ভালো করতে হলে চর্চার কোনো বিকল্প নেই।

৬. লিখে পড়ো রসায়ন
গণিতের মতো রসায়নেও যেকোনো একটা বই ভালোমতো অনুসরণ করা উচিত। বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোর নিচে দাগ দিয়ে রাখবে। আর লিখে লিখে পড়লে মনে থাকে সব থেকে বেশি। চাইলে অন্যান্য বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোও নোট করে রাখতে পারো।
৭. নিজের ‘স্টাইলে’ পড়ো
তুমি কোন বিষয়টা ভালো পারো আর কোনটা পারো না, কীভাবে পড়লে পড়া বুঝতে সুবিধা হয়—এসব তুমিই ভালো জানো। কোচিং কিংবা মডেল টেস্টের ওপর বেশি গুরুত্ব না দিয়ে নিজেকে সময় দাও। নিজেই নিজের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করো, নিজেই নিজের পরীক্ষা নাও।

৮. সবার আগে সুস্থ থাকা
সামনের চার মাস সুস্থ থেকে পড়াশোনা করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। অসুস্থ হয়ে দুইটা দিন নষ্ট করা মানেও অনেক বড় ক্ষতি। তাই অবশ্যই শরীরের প্রতি যত্ন নেবে। খাওয়া-ঘুম বাদ দিয়ে পড়তে গিয়ে অসুস্থ হয়ে যেয়ো না।

৯. বইয়ের সহায়ক ইন্টারনেট
বইয়ে সব বিষয় বিশদভাবে বলা থাকে না। কিছু বিষয় পুরোনো বই থেকে পড়ে নিতে হবে। চাইলে ইন্টারনেট থেকেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারো। ইউটিউবে কিছু ভিডিও পাবে, যেখানে সহজ করে অনেক জটিল জিনিসও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বই পড়তে পড়তে একঘেয়ে লাগলে সেগুলোও দেখতে পারো।

১০. আত্মবিশ্বাসী হতে হবে
সত্যি বলতে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো এমন হয় যে জানা জিনিসগুলোও অনেক সময় গুলিয়ে যায়। তাই আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে বারবার প্রশ্নটা পড়তে হবে, দেখবে উত্তরটা ঠিকই মাথায় আসবে। নিজের ওপর আস্থা রেখো।

সূত্র: educarnival

হোটেলের নিচে দাঁড়িয়ে ভারত- বাংলাদেশ-ম্যাচ নিয়ে সৌম্য আজ অনেক কিছু বললেন।

Detail



 টিম হোটেলের নিচে দাঁড়িয়ে ভারত-ম্যাচ নিয়ে সৌম্য আজ অনেক কিছু বললেন।

 বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের পার্থক্য এতটুকুই যে-
‘আমরা বাংলাদেশ ওরা ভারত —পার্থক্য এটাই। মাঠে গিয়ে যে ভালো খেলবে সে জিতবে। ভালো খেলার ওপর সব নির্ভর করছে।
এই বড় টুর্নামেন্টে যদি নাম দেখে খেলতে যান অবশ্যই শুরুতে পিছিয়ে থাকবেন। এসব চিন্তা না করে জয়ের লক্ষ্যে একটা ভালো পরিকল্পনা করে নামতে হবে।
 ওদের শক্তি-দুর্বলতা বুঝে আমাদের তিন বিভাগেই ভালো করতে হবে। ভালো করতে পারলে অবশ্যই জিততে পারি।’

ভারতের বোলিং কতটা ভাবাচ্ছে
‘ওদের নম্বর ওয়ান পেস বোলার আছে। ওদের স্পিনার যারা আছে তারাও অনেক ভালো। ওদের কীভাবে পিক করতে হবে সেটাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।
 নির্দিষ্ট দিনে কাকে পিক করতে পারলে সহজে খেলতে পারব আর কাকে সমীহ করতে হবে—এই পরিকল্পনা করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
 অনেক সময় হয়, আগ থেকে ভেবে রেখেছি ওই বোলারকে পিক করব। দেখা গেল ম্যাচে সে সবচেয়ে ভালো বোলিং করছে। এটা সামলানোই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।
দলের অতি সাকিব-নির্ভরতা
‘একটা টুর্নামেন্টে একজন খুবই ভালো খেলে, একজনের খুব ভালো সময় যাবে। সে কতটা এটা ধরে রাখে, সেটাই হচ্ছে কথা। বাকিদের কাজ তখন তাকে সমর্থন করে যাওয়া। সবাই ভালো করলে দল একটা ভালো ফল পাবে।’

হুমকি ভারতীয় পেস বোলিং না স্পিনাররা?
‘নির্ভর করে উইকেটের ওপর। নতুন উইকেট থাকলে পেসারদের একটু সুবিধা থাকে শুরুতে। আর ব্যবহৃত উইকেট থাকলে স্পিনাররা ভালো করতে পারে।’

সেমিফাইনালের আশা
‘ওইটা তো বদলাতে পারব না। আমাদের যে দুটো ম্যাচ আছে দুটিতেই জিতলে দৌড়ে থাকতে পারব। আমরা আমাদের কাজ নিয়েই ভাবছি।’

সৌম্য দৌড়ে টিকে থাকার কথা বললেন। এতটা পথ দৌড়ে ফিনিশিং লাইনের কাছাকাছি এসে কেউ কি আর মুখ থুবড়ে পড়তে চায়? ভারতের বিপক্ষে তাই জয় পাওয়াটা খুবই জরুরি।
তথ্য সূত্র: প্রথম আলো

তরুণদের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে সংলাপ এ অংশগ্রহণ

Detail

নওগাঁ জেলাকে নিয়ে তরুণদের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে আয়োজিত উন্নয়ন সংলাপ এ অংশগ্রহণ করতে নিম্নোক্ত লিংক-এ ক্লিক করে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করুনঃ
https://forms.gle/5PSth9e3hG8emiJ36
সময়ঃ ঈদ-উল-ফিতর এর পরদিন, বিকালঃ ৩ ঘটিকা
স্থানঃ নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম
রেজিস্ট্রেশন এর শেষ তারিখঃ ২ জুন, ২০১৯।
 
Support : | RSTSBD | RSTSBD
Copyright © 2017. রূপকল্প ২০২১ - All Rights Reserved
This Blog Published by RSTSBD
Created by kajalvai